লিখেছেনঃ এম ডি আলী
হযরত মহানবি (সা) ও তাঁর সম্মানিতা স্ত্রী হযরত আয়েশা (রা) এর সুখের সংসার নিয়ে কিছু বোলব ।ইনশা আল্লাহ্ এখন নাস্তিকরা এ বিষয়ে যে নোংরা , ধোঁকাবাজি এবং মিথ্যা কথা বলে তার চূড়ান্ত জবাব দিব । নিরপেক্ষ হন নিজেই বিচার করুন ।
একটি পয়েন্ট ভাল করে মনে রাখবেন নাস্তিকরা এই বিষয়ে একমত যে বিয়ে করুক বা না করুক উভয়য়ের সম্মতি থাকলেই যথেষ্ট । এ কথার বিরুদ্ধে কোন নাস্তিক দ্বিমত পোষণ করতে পারবে না । কারন তসলিমা নাসরিন এর বই যারা পরেছেন তারা এ বিষয় খুব ভাল বুঝবেন তাই আমি আর নতুন করে বুঝালাম না থাক!
বিয়ে হল পবিত্র সম্পর্ক । রাসুল (সা) যত নারীদের বিয়ে করেছেন অবশ্যই অবশ্যই এবং অবশ্যই তাঁর স্ত্রীদের সম্মতিতেই বিয়ে করেছেন । রাসুল (সা) এর সম্মতি এবং তাঁর স্ত্রীদেরও সম্মতি আছে তাহলে নাস্তিকদের এত আপত্তি কেন এ বিয়ে নিয়ে!!! আশা করি অসুস্থ নাস্তিকরা ছাড়া যারা সুস্থ আছেন তারা আর এ ব্যাপারে প্রশ্ন তুলবেন না কেননা স্বামী রাজি এমনকি তাঁর স্ত্রীও রাজি তু কেয়া কারেগা ফাজিল!
বাকি যেটা থাকলো তা হল বয়স । আম্মাজান আয়েশা (রা) এর বিয়ে নিয়ে অনেক নাস্তিকদের সাথে আলোচনা হয়েছে তবে এক নাস্তিকের সাথে অনেকক্ষণ বার্তা আদান প্রদানের মাধ্যমে এ ব্যাপারে কথা হয়েছে সেটাই আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করবো ।আমরা জানি রাসুল (সা) ও আয়েশা (রা) এর বৈবাহিক সম্পর্ক কত পবিত্র , সুন্দর ছিল আর ধোঁকাবাজ ইসলাম বিদ্বেষীরা এ সুন্দর সম্পর্ক নিয়ে মিথ্যাচার তো করবেই । এখন আসুন আমরা সরাসরি কথায় চলে যাই ।
নাস্তিকঃ বিয়ে তথা একত্রে সংসার করতে কি নারী পুরুষের উভয়ের সম্মতি দরকার ? যদি বলেন হ্যাঁ , তবে ৬ বছরের একটি শিশু কি সংসার কি জিনিস বুঝবে ? দৈহিক রিলেশন কি জিনিস ভালভাবে বুঝবে ? যদি না বুঝে থাকে তবে আয়েশার ঐ শিশুকালে কবুল বলার মত স্বাভাবিক জ্ঞানই হয়নি । হযরত মোহাম্মদ (সা) সর্ব কালের, সর্ব যুগের জন্য আদর্শ মানব । এখন তাকে ফলো করে সবাই যদি বুড়ো বয়সে ৬ বছরের শিশুকে নিয়ে করে – তখন এটা যাই হোক আধুনিক সভ্য জগতে একসেপ্টটেবল নয় ।
আমিঃ তুমি যখন ছোট তোমার ভাল মন্দের বিচার তুমিত করবে না । করবে তোমার পরিবার । ঠিক মহানবী (সা) এর মত সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষের কাছেবিয়ে দেয়া অনেক বড় ব্যাপার । বুখারির হাদিসে আছে, রাসুল (সা) ৬ বছরে বিয়ে করলেন আর ৯ বছরে ঘরে তুললেন । প্রশ্নঃ আয়েশা (রা) যখন বড় হলেন তখন কি কোন অভিযোগ করেছিলেন ? উত্তরঃ না । যেখানে তাঁরা তাদের লাইফ নিয়ে খুশি , সেখানে তোমার মত নাস্তিকদের প্রশ্ন উঠতেই পারে না ।আর হ্যাঁ , মহানবী (সা) আমাদের আদর্শ । এখন তুমি আমাকে এমন একটি হাদিস দেখাও যেখানে “রাসুল (সা) বলেছেন তোমরা ৬ বছরের মেয়ে বিয়ে করো” চ্যালেঞ্জ ।
নাস্তিকঃ ইসলামিক সোর্স ছাড়া তাদের অভ্যন্তরীণ দাম্পত্য জীবন সম্পর্কে জানা সম্ভব না । এসব সোর্সে ভাল কথা থাকবে এটাই স্বাভাবিক । আলোচনার বিষয় এটা নয় । কেননা সমবয়সী সমবয়সী দাম্পত্তির মধ্যেও দাম্পত্যকলহ দেখা যেতে পারে আবার বয়সের দূরত্ব থাকলেও দাম্পত্য মধুরতা থাকতে পারে । তার অর্থ এই নয় যে আপনি ৫০ বয়সের বসস্কলোক হয়ে ৬ বছরের শিশুকে বিবাহ করবেন । বৃদ্ধ শিশু বিয়ে জায়েজ করবেন । শুদু রাসুলের হাদিসে কেন কোরানেও বলা আছে বহু স্থানে “হে মুমিনগণ তোমরা রাসুলকে ফলো করো”
আমিঃ এইত লাইনে আসছ । তুমি হয়ত জানো না, ফ্রেঞ্চ দার্শনিক Montesqueu তার Spirit Of Laws বইতে ২৬৪ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেছেনঃ উষ্ণ অঞ্চলের মেয়েরা ৮,৯,১০ বছর বয়সেই বিয়ের উপযুক্ত হয়ে যায় । ২০ বছর বয়সে তাদের বিয়ের জন্য বৃদ্ধ ভাবা হয় । অ্যামেরিকার সংবিধান তৈরিতে যেসব বইয়ের সাহায্য নেয়া হয়েছে তার মধ্যে Spirit Of Laws বইটি অন্যতম । এখন আগে এই আধুনিক দার্শনিক এর কথা মিথ্যা প্রমাণ করো তারপর বল রাসুলের (সা) এর আদর্শ ফলো করা মানে তুমি কি বুঝো ?
নাস্তিকঃ ৬ বছরের একটা শিশু মেয়ে যখন খেলনা নিয়ে খেলা করে তখন যে বিয়ের উপযুক্ত হয় ? বিয়ের মতামত দানের উপযুক্ত হয় ? আয়েশা (রা) বর্ণনা করেছেন রাসুল (সা) এর সামনেই আমি পুতুল বানিয়ে খেলতাম আমার বান্ধবীরাও আমার সাথে খেলা করত । রাসুল (সা) ঘরে প্রবেশ করলে তারা দৌড়ে পালাত তখন তিনি তাদের ডেকে আমার কাছে পাঠিয়ে দিতেন এবং তারা আমার সঙ্গে খেলত । (মুসলিম)
আমিঃ আচ্ছা , রাসুল (সা) কি শুদু ৬ বছরে বিয়ে করেছিল ? উত্তর হল না । ভিন্ন ভিন্ন বয়সেও তিনি তাঁর স্ত্রীদের বিয়ে করেছেন আর তুমি যে হাদিস দিয়েছ ঐ হাদিস গুলোই প্রমাণ করে রাসুল (সা) তাঁর স্ত্রী হযরত আয়েশা (রা) কে কত ভালবাসতেন আর স্নেহ করতেন আর ৬ বছরে বিয়ে করা কেন অন্যায় হবে যদি ৯ বছরে ঘরে নিয়ে আসে ? আর ঐ আধুনিক দার্শনিক তো বলেছেন ৮,৯,১০ বছর বয়সে মেয়েরা বিয়ের যোগ্য তাহলে আমি কি তোমার মত নাস্তিকদের কথা মানব নাকি ঐ জ্ঞানী দার্শনিকের কথা মানব ? আমি তোমাকে হারাতে চাই না ভাবাতে চাই !
নাস্তিকঃ ভাই ঘুরে ফিরে কিন্তু আপনি সেই খেলনা খেলা শিশুর বিবাহকেই প্রমট করলেন !
আমিঃ কথায় করলাম ? ! ঐ দার্শনিক কি ভুল বলেছেন যে ৯ বছরে মেয়েরা বিয়ের উপযুক্ত ? এখন মজার কথা শুনো । হযরত আয়েশা (রা) নিজেই বলেছেন মেয়ে যখন ৯ বছরে উপনীত হয় তখন সে মহিলা হয়ে যায় । (তিরমিজি, কিতাবুন নিকাহ) । দেখো আম্মাজান আয়েশা (রা) ও ফ্রেঞ্চ দার্শনিক Montesueu একই কথা বলেছেন আর এটা সত্যি যে এই দার্শনিক তোমাদের থেকে জ্ঞানী । ডাঃ মোহাম্মদ আলী (এম বি বি এস) ঢাকা , তিনিও বলেছেন সাধারণত মেয়েদের প্রাপ্ত বয়স্কতা প্রকাশ পায় ৮ বছর বয়সে আর ছেলেদের ৯.৫ বছর বয়সে । ইহা মেয়েদের ক্ষেত্রে ১৩ আর ছেলেদের ক্ষেত্রে ১৩.৫ ও হতে পারে। তাহলে দেখা যাচ্ছে এই বয়সেই একটি ছেলে বা মেয়ে সন্তান জন্মগ্রহনে ভূমিকা রাখতে পারে । (১) এখন তুমি বল এখানে খারাপের কি আছে ?
নাস্তিকঃ একজন মানুষ একটি শিশুর গায়ে হাত দিবে যৌন কামনা নিয়ে এটাকে সভ্যজগত যৌন বিকার গ্রস্ত বলে । যুক্তির খাতিরে মেনেও নিলাম আয়েশা ঋতুবর্তি হওয়ার আগে নবী সংগম করেন নি কিন্তু ৬ থেকে ৯ এই তিন বছরে শিশুটির শরীর তো স্পর্শ করেছে! একজন পূর্ণ বয়স্ক মানুষ একটি শিশুর গায়ে যৌন কামনা নিয়ে হাত দিবে এটাই তো এক প্রকার বিকৃত যৌন বিকার গ্রস্থ ।
আমিঃ তোমার দাবি “কিন্তু ৬ থেকে ৯ এই তিন বছরে শিশুর শরীর তো স্পর্শ করেছে! যৌন কামনা নিয়ে” – এই শব্দে একটি হাদিস দেখাও ? তোমাকে একটি চ্যালেঞ্জ করি জবাব দেও । তুমি আমাকে বল কেন ১৯০৫ সালের আগ পর্যন্ত মোহাম্মদ (সা) ও আয়েশা (রা) এর বিয়ে নিয়ে কেউ কোন আপত্তি করেন নি , কিন্তু কেন ? এই প্রশ্নে তোমার সব সন্দেহের জবাব আছে ।
নাস্তিকঃ একজন স্বামী তার স্ত্রীর গায়ে স্বাভাবিক হাত রাখবে এর জন্য আমার হাদিস লাগে নাকি ? তারপরেও যখন (৬-৯) এই বয়সে কাহিনী জানতে চাচ্ছেন , হাদিসের কথা বলছেন । তাই হাদিস দেখুনঃ
“বুখারিতে আছে আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত আল্লাহর রাসুলের উপর কোন অশিরি ক্রিয়া বা জাদু ভর করতো তাই রাসুল প্রাই মনে করতেন তিনি ঐ মুহূর্তে যৌনমীলন , কিন্তু আসলে ঐ মুহূর্তে তিনি কিছুই করছেন না” - মানুষিক বিকারগ্রস্ততার অন্যতম একটি উদাহরণ এই নয় কি ?
আমিঃ (মুচকি হাসি) । ঐ হাদিস দিয়েও প্রমান হয় না যে রাসুল (সা) মানুষিক বিকারগ্রস্ত ছিলেন কারনঃ
১/ ধরো তুমি একটি গাছ লাগালে । তুমি সপ্নে দেখলে তুমি গাছের ফল খেয়েছ কিন্তু বাস্তবে খাউনি – এর মানে কি তুমি মানুষিক বিকারগ্রস্ত রোগী ?
২/ তুমি হয়ত জানো না রাসুল (সা) কে সত্যি সত্যিই যাদু করা হয়েছিল কাফেররা যাদু করেছিল ।
৩/ ঐ হাদিস দ্বারা প্রমাণ হয় না যে রাসুল (সা) মা আয়েশা (রা) এর সাথে সহবাসের কথা মনে করতেন ।
তুমি তোমার নোংরা চিন্তার মানুসিকতা পবিত্র হাদিসে মিশানোর অপচেষ্টা কেন করছ ? তুমি দাবি করেছিলে “কিন্তু ৬-৯ এই তিন বছরে শিশুর শরীর তো স্পর্শ করেছে ! যৌন কামনা নিয়ে” – এই শব্দে একটি সহিহ হাদিস এখনো দেখাতে পারলে না , পারবেও না চ্যালেঞ্জ দিলাম ।
নাস্তিকঃ যদিও আমরা এসব জিন পরি যাদু বিদ্যায় বিশ্বাস করি না । এসবের কোন বিজ্ঞান ভিত্তিক ভিত্তি নেই । তারপরেও আলোচনার খাতিরে এই প্রসঙ্গে আপনার এসব জীন পরীর আর্গুমেন্ট গ্রহন করলাম
আমিঃ ওকে , তুমি কি ব্লাক ম্যাজিক বিশ্বাস করো ?
নাস্তিকঃ আমি কি প্রশ্ন করতে পারি ?
আমিঃ অবশ্যই তুমি প্রশ্ন করতে পারো না কারন তোমার দাবি ছিল “কিন্তু ৬ থেকে ৯ এই তিন বছরে শিশুর শরীর তো স্পর্শ করেছে! যৌন কামনা নিয়ে” – এই শব্দে একটি হাদিস দেখাও ? তুমি এখন পর্যন্ত দেখাতে পারলে না তাই তুমি প্রশ্ন করবে কেন ? আগে ঐ শব্দে সহিহ হাদিস দেখাও আর ব্ল্যাক ম্যাজিক যদি বিশ্বাস না করো এটি তোমার অজ্ঞতা । ব্লাক ম্যাজিকের সত্যতার বাস্তব প্রমাণ আছে বিজ্ঞানীরাও মানে (২) । কিন্তু আমি এখানে প্রমাণ দিব না যেহেতু আলোচনার বিষয় এটা না ।
নাস্তিকঃ নরমাল সেন্সেই আবারো বলছি যৌনমীলন না হোক একজন স্বামী তার স্ত্রীর গায়ে স্বাভাবিক ভাবেই হাত রাখবে । এর জন্য আবার হাদিস লাগে নাকি ?
আমিঃ একমত কিন্তু তুমি যে ঐ নোংরা দাবি করেছ এর পক্ষে অবশ্যই প্রমাণ চাওয়া আমার অধিকার ।
নাস্তিকঃ এটা নরমাল সেন্স । ৬-৯ এই তিন বছরে নবী কি তার স্ত্রী আয়েশার শরীর কখনো টাচও করে নি ? যদি টাচ করে থাকে । একজন যৌবন পুরুষ তার স্ত্রী গায়ে টাচ করলে তার ভেতরে স্বাভাবিকই যৌনতার উত্তেজনা আসবে । নবী, হয়ত ছোট বয়স , হয়ত এ জন্য পেনিট্রেশন থেকে বিরত ছিল কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে স্পর্শ কামুকতা থেকেও বিরত ছিল ।
আমিঃ ঐ তিন বছরে নবী “যৌন কামনার সাথে টাচ করেছে” এই শব্দে কোন হাদিস আমার জানা নাই । থাকলে তুমি প্রমাণ দেও । জানি পারবে না , পারলে তবুও দেও । কেননা আগে দাবি করেছিলে ছিল “কিন্তু ৬ থেকে ৯ এই তিন বছরে শিশুর শরীর তো স্পর্শ করেছে! যৌন কামনা নিয়ে” – এই মিথ্যাচার এর দাবীর প্রমাণ যেহেতু দিতে পার নি তাই পরেরটাও প্রমাণ করতে পারবে না । আমার মনে হয় আলোচনা শেষ করা উচিত কারন তোমার দাবি অনুযায়ী প্রমাণ পেশ করতে পারছ না ।
আমিঃ (মুচকি হাসি) অবশ্যই করবে তার আগে তোমার দাবীর পক্ষে হাদিস দেখাও । তার পরে প্রশ্ন করো । আচ্ছা তাও থাক, তুমি শুদু এটা স্বীকার করো যে তুমি ঐ দাবীর পক্ষে হাদিস দেখাতে পারবে না । এরপরে প্রশ্ন করো ।
নাস্তিকঃ ওকে, ৬-৯ এই তিন বৎসরে মোহাম্মদ তার শিশু বউ আয়েশাকে কেবলমাত্র নাতনি হিসেবেই আদর করত অক্কে ? বউয়ের মত ভাবত না । সেক্স করত না এমনকি সেক্সুয়াল চিন্তা নিয়েও তাকে স্পর্শ করত না । ওকে ?
আমিঃ না , ওকে না । আরও ভুল কথা বললে তুমি । “৯-৬ এই তিন বছরে মোহাম্মদ তার শিশু বউ আয়েশাকে কেবলমাত্র নাতনি হিসেবে আদর করত” – এটার প্রমাণ দেও ? বানিয়ে বানিয়ে মনগড়া মিথ্যা কথা বল কেন ?
নাস্তিকঃ আমার প্রশ্ন খেলনা খেলা একটি অবুঝ শিশু কি এই সভ্য সমাজে ৫০ বছরের পুরুষের সাথে বিয়ের জন্য উপযুক্ত কিনা ?
আমিঃ তুমি আগে স্বীকার কর যে তোমার ঐ দাবি তুমি প্রমাণ করতে পারবে না । এরপরে আমি তোমার এই ফাউল প্রশ্নের জবাব দিব ।
নাস্তিকঃ এটা ফাউল প্রশ্ন ?
আমিঃ হ্যাঁ । তুমি ভুল স্বীকার করবে না ??? আচ্ছা আমি এর জবাবও দিবো । ৬ বছর বয়সে বিয়ে করেছে কারন হযরত আবু বকর (রা) তাঁর মেয়েকে রাসুল (সা) এর কাছে বিয়ে দিতে চেয়েছেন আর ৬ বছরে বিয়ে করে ৯ বছরে ঘরে তুলেছেন এটা অন্যায় হবে কেন ? যেখানে স্বয়ং মা আয়েশা (রা) বলেছেন ৯ বছরে একজন মেয়ে মহিলা হয় আর আধুনিক দার্শনিকও একই কথা বলেছেন । মা আয়েশা (রা) তাঁর স্বামীকে নিয়ে খুশি ছিলেন তিনি মোহাম্মদ (সা) কে ভালবাসতেন । এখানে তুমি বলার কে ???
নাস্তিকঃ ওকে, ৯ বছরে আয়েশা সেক্স করার মত উপযুক্ত হয়েছে । এরপরেই নবী তার সাথে সেক্স করেছে । পূর্ণ বয়স্ক মহিলার সাথে সেক্স – এটাকে আমি অবশ্যই সাধুবাদ জানাই কিন্তু আমার প্রশ্নটি ৯ বছরের আয়েশাকে নিয়ে নয় । আমার প্রশ্ন ৬ বছরের দুধের শিশুকে নিয়ে । ৬ বছরের খেলনা নিয়ে খেলার মত একটি মেয়ে কি ৫০ বছরের পুরুষকে বিয়ে করার জন্য উপযুক্ত , খেলনা খেলা মেয়েটি তার বিবাহে তার নিজস্ব মতামত সম্মতি দেওয়ার মতো মানসিক পরিপক্ষ ?
আমিঃ “৯ বছর বয়সেই সেক্স করেছে” এই শব্দে তুমি কোন হাদিস দেখাতে পারবে না আর শুনো তার পরিবার যদি তাকে বিয়ে দেয় এতে প্রব্লেম কি? তুমি ছোট বেলায় কি পড়বে , কি পড়বে না তাকি তুমি সিদ্ধান্ত নিবে নাকি তোমার পরিবার ? শেষ একটি প্রশ্ন করি ১৯০৫ সালের আগে কেউ কি মোহাম্মদ (সা) ও আয়েশা (রা) এর বিয়ে নিয়ে আপত্তিকর কেউ কি কোন মন্তব্য করেন নি, কিন্তু কেন ? আর এরপর আমি এই বিষয়ে কোন কথা বোলব না । তুমি আমার শেষ প্রশ্নের জবাব দেও ব্যাস । যদিও প্রচুর কিছুর জবাব অথবা তোমার দাবীর প্রমাণ দিতে পারো নি কিন্তু আমি প্রমাণ সহ যুক্তির সাথে সব প্রশ্নের জবাব দিয়েছি ।
( পরিশেষে আমি আলোচনা End করে দেই কারন ঐ নাস্তিক নিজের মিথ্যা , নোংরা দাবীর পক্ষে কোন ভাল প্রমাণ দিতে পারে নি । হাস্যকর কথা হল অনেকক্ষণ পরে ঐ নাস্তিক আমার রিপ্লাইতে বললঃ)
আপনি শিশুর কাপড় বাছাইয়ের সাথে তার জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বিবাহের তুলনা করলেন । এটা খুবই লেইম যুক্তি আর আপনার বক্তব্বে এটাই পরিস্কার ইসলামে বিবাহের ক্ষেত্রে মেয়েদের মতামতের কোন দাম নেই । এখানে শিশুটির বাপ মা যে সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই মেয়েটির ভবিষ্যৎ হবে । এখানে শিশুটির নিজস্ব স্বাধীনতা বলে কিছুই নেই আর মোহাম্মদকে আদর্শ হিসেবে গ্রহন করা মুসলমানদের উচিত মহাম্মদের ৬ বছরের শিশুকে বিবাহ করাকে ফলো করে নিজেরাও এই কাজ করা । কেননা আল্লাহ বলেছেন নবিকে ফলো করতে । মুসলিমরা নবীর এই শিশু বিয়ার সুন্নাতকে ভুলে গিয়ে কেন যে আজকাল সভ্য মানুষের সুন্নত পালন করছে সেটি একটি বড় প্রশ্ন আর ১৯০৫ সালের দোহাই দিয়ে লাভ নেই । ১৯০৫ সাল আর ২০১৮ সাল এক না । ১৯০৫ সালের দুনিয়াও ছিল মোহাম্মদের বর্বর যুগের ন্যায় অশিক্ষিত , অসভ্য অন্ধকারের যুগ । বিগত ১০০ বছরে দুনিয়া সকল দিক থেকেই ঐ আদিম কালের বর্বরতা থেকে অনেক এগিয়ে গেছে ।
যুক্তি খণ্ডনঃ
* কাপড়ের সাথে তুলনা করে মূলত একটি শিশুর সর্ব বিষয়ে তার পরিবার নিবে এটাই বুঝিয়েছি । ও না বুঝলে আর কি করার !! ।
* “ইসলামে বিবাহের ক্ষেত্রে মেয়েদের মতামতের দাম নাই” এর স্বপক্ষে সহিহ হাদিস ঐ নাস্তিক দিতেও পারবে না ? সে এখানে মিত্থাকথা বলেছে।
* শিশুর ভাল মন্দের দায়িত্ব তার পরিবারের । পরিবারের কোন সিধান্ত যদি বাহ্যিক নজরে আপত্তিকর মনে হয় আর এর ফলাফল যদি শিশুর জন্য কল্যাণকর হয় আর শিশু বড় হয়েও পরিবারের সিদ্ধান্তকে মেনে নেয় আনন্দদের সাথে তাহলে অবশ্যই পরিবারের ঐ সিদ্ধান্ত আপত্তিকর থাকে না । মহানবী (সা) ও তাঁর স্ত্রী হযরত আয়েশা (রা) এর বিয়ের ফলাফল খুবই ভাল এবং সুন্দর । আম্মাজান আয়েশা (রা) তাঁর স্বামীকে ভালবাসতেন আর তাঁর স্বামীও তাঁকে ভালবাসতেন । যেখানে আয়েশা (রা) খুশি। তাঁর পরিবার খুশি এমন কি তাদের পবিত্র সংসার সুখের সুতরাং এখানে অন্য কেউ যদি কোন আপত্তি করে তাইলে দাগ মে কুচ কালা হে !!!
* প্রিয় পাঠক মনোযোগ দিয়ে যদি পড়ে থাকেন তাহলে একটি বিষয় বুঝতে পারবেন আমি আগেই ঐ নাস্তিক্কে প্রশ্ন করেছিলাম “নবীজিকে ফলো” করা মানে তুমি কি বুঝো ? এর জবাব ও দেয় নি । হাস্যকর হলেও সত্য যে ঐ কথিত মুক্তমনা নাস্তিক জানে না হাদিস আর সুন্নত মধ্যে পার্থক্য কি ? আমরা একটি কথা বার বার বলি “হাদিসের উসুল” শিখুন । আসুন শিখাই , রাসুল (সা) ৬ বছর বয়সে আয়েশা (রা) কে বিয়ে করেছেন এটা হাদিস কিন্তু সুন্নত না । রাসুল (সা) যা করেছেন কিন্তু করতে বলেননি তা হাদিস আর যা তিনি করেছেন সাথে করতেও বলেছেন তা হল সুন্নত । (৩) এই পার্থক্য মূর্খরা বুঝবে না এটাই সাধারণ ।
* আর নাস্তিকরা যদি এই উসুল না মানে এরপরেও কোন সমস্যা নেই কেননা রাসুল (সা) আমাদের বলেন নাই যে আয়েশা (রা) এর মত সবাইকেই ৬ বছরে বিয়ে করতেই হবে নাইলে বড় গুনাহ হবে ! তাই আমাদের যে এ বয়সেই বিয়ে করতে হবে এমন কথা ইসলাম বলে না তথা আমরা এও জানি রাসুল (সা) শুদু ৬ বছরে না এ ছাড়া অন্য ভিন্ন বয়সের মেয়েদেরও বিয়ে করেছেন । তৎকালীন যুগে ৬ বছরে বিয়ে সাধারণ ব্যাপার ছিল (৪) এই যুগে সাধারন না । ওকে কোন সমস্যা নাই । রাসুল (সা) তো বিভিন্ন বয়সেও বিয়ে করেছেন । যেমনঃ
মায়মুনা বিনতুল হারিস (রা) ৩৬ বছর বয়সে
হাফসা বিনতে উমার (রা) ২২ বছর বয়সে
জুয়াইরিয়া বিনতুল হারিস (রা) ২০ বছর বয়সে
সাফিয়া বিনতে হুয়াই (রা) ১৭ বছর বয়সে ইত্যাদি ।
এখন আপনার যে ইচ্ছা সে বয়সে বিয়ে করেন
*১৯০৫ সালের মানুষ নাকি সব বর্বর ছিল । হাহাহা গাধা কয় কি । ঐ নাস্তিক ইতিহাস সম্পর্কে এর অজ্ঞ আমার জানা ছিল না । সে হয়ত ইসলামী সোনালী যুগ সম্পর্কে জানে না যা মাদ্রাসার ছোট বাচ্চারাও জানে । (৫) । ১৯০৫ সালেই বিখ্যাত বিজ্ঞানী এলবারট আইনস্তাইন তাঁর ভর-শক্তি তুল্যতা সুত্র প্রতিপাদন করেন । তাত্ত্বিক ভাবেই তখন থেকেই পারমাণবিক শক্তির যাত্রা শুরু হয় । এইটা একেবারেই ছোট একটি উদাহরণ দিলাম । এছাড়া ইতিহাসে মুসলিম বিজ্ঞানিদের অবদান নিয়ে প্রচুর আলোচনা আছে তাদের গবেষণা আছে যা আজো আধুনিক বিজ্ঞানিদের ভাবায় । যাদের কাছে ১৯০৫ সাল বর্বর তারা এইসবের কি বুঝবে আনারাই বলেন !!! ?
*এখন আসুন “৬ বছর বিয়ে আপত্তিকর”
পয়েন্ট খেয়াল করুন কোন বিষয় আপত্তিকর কিন্তু পড়ে দেখা গেল এর ফলাফল ভাল তাইলে আগের আপত্তি আর আপত্তি থাকে না । কিভাবে ? সেটা হলঃ উদাহরণটি খেয়াল করুন আমরা যখন ছোট ছিলাম তখন আমরা পড়তে চাইতাম না এরপরেও বাবা মা আমাদের ইচ্ছা করেও জোর করে পড়াশোনা করায় অথচ তখন কিন্তু আমাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধেই আমাদের পরিবার সিধান্ত ন্যায় এমন কি পড়াশোনা না করলে আমাদের বেত দিয়েও মারে এটি আমাদের কাছে সাময়িক আপত্তিকর হলেও যেহেতু এর ফলাফল ভাল তাই ঐ সাময়িক আপত্তি আর আপত্তি থাকে না ।
আরেকটি উদাহরণ ডাক্তার ছোট শিশুদের ইনজেকশন দেয় যা যন্ত্রণাদায়ক এটা আপাতত দৃষ্টিতে আপত্তিকর হলেও যেহেতু ফলাফল ভাল তাই পূর্বের আপত্তি আর আপত্তি থাকে না কারন ইনজেকশন এর বাথার ফলে শিশুদের রোগ দূর হবে তাই এই বেথা শিশুদের জন্য আপত্তিকর থাকলেও ফলাফল এর জন্য এটি আপত্তিকর না ।
পড়াশোনা , সুচিকিৎসা জীবনেরই একটি গুরুত্ব পূর্ণ অংশ যেমন বিয়ে । একই ভাবে বাহ্যিক দৃষ্টিতে ৬ বছরে বিবাহ আপত্তিকর (নাস্তিকদের কাছে) কিন্তু ফলাফল যেহেতু ভাল তথা আয়েশা (রা) তাঁর স্বামীকে ভালবাসতেন তাঁর স্বামীও তাঁকে ভালবাসত এবং তাদের সংসার ছিল সুখের সংসার এমনকি আয়েশা (রা) এই ৬ বছরের বিয়ে ব্যাপারে জীবনেও আপত্তি করি নাই তাই এই আপত্তি আর আপত্তি থাকছে না কারন এর ফলাফল ভাল । ধরেন আপনি এক কালো মেয়েকে বিয়ে করলেন যে খুবই গরীব আপনি ধনি । আমি আপনার বন্ধু আমি যদি আপনাকে বলি কিরে তুই এত বড় এক ধনি হয়ে এক গরিবের মেয়েকে বিয়ে করলি এটি আমার কাছে আপত্তি কর তাছাড়া কেমন জানি দেখায় !! আপনি আমাকে বললেন দূর বকা আমি ওকে আমার প্রাণের চেয়েও বেশি ভালবাসি সেও আমাকে ভালবাসে আমরা সুখি এখানে তুই বলার কে দূত ! । খেয়াল করেছেন বিষয় টি এখানে আমার আপত্তি দিয়ে কিন্তু তাদের দাম্পত্য জীবনে কিছুই আসে যায় না কারন তারা সুখি কিন্তু হ্যাঁ যদি তাদের মধ্যে ভালবাসা না থাকত তাইলে আমি আপত্তি করলে সেটা গ্রহন যোগ্য হত যেহেতু তারা তাদের জীবন নিয়ে খুশি তাই এখানে আমার আপত্তির ২ পয়সার কোন মূল্য নাই ।
কল্পনা করুন কোন এক বিচারালয়য়ে নাস্তিকরা বিচার দিল যে মোহাম্মদ (সা) ৬ বছরে আয়েশা (রা) কে বিয়ে করে আপত্তিকর কাজ করেছেন । এখন উক্ত বিচারক হযরত আয়েশা (রা) কে সমার সামনে নিয়ে আসলেন এবং প্রশ্ন করলেন আপনি বড় হয়েছেন আপনার বয়স এখন ১৮ বলেন আপনার কি কোন আপত্তি আছে যখন আপনার পরিবার আপনাকে ৬ বছর বয়সে বিয়ে দিয়েছিল ? আল্লাহর কসম , আম্মাজান একটিই কথাই বলবেন , না আমার কোন আপত্তি নাই আমি আমার স্বামীকে নিজের প্রাণের চেয়েও বেশি ভালবাসি এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ভালবেসেই যাব এবং আমার স্বামীও আমাকে অনেক ভালবাসে । এই কথা শুনে বিচারক রায় দিয়ে দিল যেখানে স্বামী স্ত্রীর কোন সমস্যা নাই তাদের পরিবারেরও কোন সমস্যা নাই সেখানে কথিত মুক্তমনা নাস্তিকদের সমস্যা থাকলে সেটা ওদের ব্যাপার আর নাস্তিকদের যেহেতু কোন সংবিধান নাই , ভালখারাপের কোন মূলনীতি নেই তাই ওদের এই বিষয়ে কথা বলার কোন অধিকারী নাই কারন একটি সুখের সংসার নিয়ে অন্য কারো নাগ গলানো অন্যায় ।
হযরত আম্মাজান আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন রাসুল (সা) বলেছেন ,হে আয়েশা ! তুমি কি এতে সন্তুষ্ট নও যে তুমি দুনিয়া ও আখিরাতে আমার স্ত্রী হবে ? আয়েশা বলল কেন নয় ? তখন রাসুল (সা) বললেনঃ তুমি দুনিয়া ও আখিরাতে আমার স্ত্রী । (৬)
আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ রাসুল (সা) বলেছেন দুবার করে আমাকে স্বপ্নযোগে তোমাকে দেখানো হয়েছে । এক বেক্তি রেশমি কাপড়ে জরিয়ে তোমাকে নিয়ে যাচ্ছিল , আমাকে দেখে বলল এ হল তোমার স্ত্রী । তখন আমি পর্দা খুলে দেখি সে তুমিই । যখন আমি (আয়েশা) বললামঃ এ স্বপ্ন যদি আল্লাহর পক্ষ থেকে হয় তবে তিনি বাস্তবে পরিনত করবেন .(৭)
পরিশেষে এটাও প্রমাণ করে দিলাম রাসুল (সা) ও আয়েশা (রা) তাঁদের সম্মতি ছিল এখন নাস্তিকদের তালগাছ আর সমস্যা ওদের পকেটে রেখে দিক আমাদের কিছুই আসে যায় না । এরপরেও কিছু নোংরা ভাবনার মানুষ বলতে পারে আয়েশা (রা) না বুঝে সম্মতি দিয়েছেন । এদেরকে বোলব অল্প বয়সে বিয়ে করার যে প্রব্লেম আপনারা দেখান তার একটাও কি আয়েশা (রা) এর বেলায় হয়েছিল ? উত্তরঃ না । তিনি এই বিয়েতে খুশি ছিলেন বলেই তো সম্মতি দিয়েছেন । তাঁর স্বামীকে ভালবাসার একটি নমুনা বলি আয়েশা (রা) তাঁর স্বামীর হাদিস বর্ণনা করেছেন প্রায় ২২১০ টি এবার বুঝে নেন আর ইসলামের ইতিহাসে হযরত আয়েশা (রা) অনেক গুরুত্বপূর্ণ পারসন ।
হিন্দিতে একটি প্রবাদ বাক্য দিয়ে শেষ করব “আগার মাইয়া সাহাব রাজি তো কিয়া কারেগা কাজী”
রেফারেন্স সমূহঃ
১/ http://www.old.al-ihsan.net/fulltext.aspx?subid=4&textid=9127
২/ ব্লাক ম্যাজিক ও জীনঃ
* দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় ২১ মার্চ ২০১৬ তারিখের একটি খবরঃ এক খেলোয়াড় সাক্ষাৎকার নেওয়ার সময় টিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ল আজব দৃশ্য । খেলোয়াড়ের পিছনে এক মহিলা ছিল । ট্রলি ধরা মহিলা ঐ নারীকে হ্যালো বলল সে চোখের পলকে হাওয়া তথা গায়েব হয়ে গেল অথচ ঐ খেলোয়াড় তখনও কথা বলে চলছেন টিভি ক্যামেরার সামনে।
* বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকায় ৬ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখের খবরঃ হোয়াইট হাউস ব্যাপারে বিস্তারিত বলা হয়েছে । “ভুতের উৎপাত” শিরোনামে নিচের দিকে বিভিন্ন বাস্তব ঘটনার উল্লেখ আছে । খৃষ্টানরা যেটাকে Ghost বলে আমরা সেটাকে জীন বলি ।
লিংকঃ www.bd-pratidin.com/various/2017/12/06/286527
*.NATIONAL GEOGRAPHIC: https://www.youtube.com/watch?v=i52MQIJcBVM
৩/ রাসুল (রা) হযরত আনাস (রা) বলেন হে বৎস , এটা আমার সুন্নত আর যে আমার সুন্নত জিন্দা করলো সে আমাকে ভালবাসল আর যে আমাকে ভালবাসল সে আমার সাথে জান্নাতে থাকবে । (তিরমিজি ২৬৭৮)
তাই আমরা রাসুল (সা) এর বহুবিবাহ , মেরাজে যাওয়া , চাঁদ দ্বিখণ্ডিত করা , ৬ বছরে বিবাহ ইত্যাদি এগুলর ওপর আমল করি নাহ কারন এইগুলা হাদিস সুন্নত না । রাসুল (সা) অনেক অবস্থার মুখোমুখি হয়েছেন ইসলামের জন্য আর তিনি রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন । তাই অনেক বিষয় শুদু তাঁর জন্য নির্দিষ্ট ছিল কেননা তিনি নবী ছিলেন উম্মত না । সুতরাং আমরা সুন্নত এর ওপর আমল করি আর হাদিস বিশ্বাস করি । এ বিষয়ে জানতে বিজ্ঞ আলেমের কাছে যান ।
৪/ রাসুল (সা) এর আগেই আয়েশা (রা), জুবাইর ইবন মুতির সাথে Engaged ছিলেন । (আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ২৪৯,ইঃফা) । পরে হযরত আবু বকর (রা) ইসলাম গ্রহন করলে এ বিয়ে ভেঙ্গে যায় ।
৫/ “ইসলামের সোনালী যুগ” লেখকঃ এ,কে, এম নাজির আহমদ ।
৬/ হাকিম, সিলসিলা আহাদিস সহিহা লি আলবানী , হাদিস নং ১১৪২ । আরও দেখুনঃ “রাসুল (সা) এর স্ত্রীগণ কেমন ছিলেন” পৃষ্ঠাঃ ৩৬ , পিস পাবলিকেশন হাদিস সহিহ ।
৭/ বুখারি খণ্ড ৮, হাদিস নং ৪৭০৭ ইঃফা ।
কিছু প্রশ্নঃ
* হযরত আয়েশা (রা) যদি নবী মুহাম্মদ (সা) কে পছন্দ না করতেন তাহলে নবীজি মৃত্যুর পরে তিনি ইচ্ছা করলেই পালিয়ে যেয়ে অন্য ধর্ম অথবা নবীর বিরুদ্ধে কথা বলতে পারতেন অথবা এমন কিছু হাদিস বানাতে পারতেন যা ইসলামের বিরুদ্ধে যায় কিন্তু তিনি সেটা কেন করলেন না ?
* হযরত আয়েশা (রা) কি তাঁর সারা জীবনে কখনো নবীর সাথে তাঁর বিয়ের ব্যাপারে আপত্তি করেছিল ?
* হযরত আয়েশা (রা) কি নবী (সা) কে ভালবাসতেন না ?
* হযরত আয়েশা (রা) কি নবী (সা) কে কখনো বলেছেন আমাকে তালাক দিয়ে দিন ?
* হযরত আয়েশা (রা) কেন নবী (সা) হাদিস বর্ণনা করতেন যদি তিনি তাকে পছন্দ নাই করতেন! ?
* একটি প্রমান দিতে পারবেন যে হযরত আয়েশা (রা) ইসলামের কোন ক্ষতি করেছিল ?


: