নিজেকে জানুন!

Post a Comment
মানুষ সব সময় অপরকে জনার কথা বলে কিন্তু
নিজেকে জানেনা । জানেনা বা জানতে চাই ও না । নিজেকে জানাই হল পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি জানা, যে

নিজেকে জানেনা সে অপর কে কিভাবে জানবে? অপরকে জানার জন্যও আগে নিজেকে জানা প্রয়োজন ।মহাপুরুষ রাও বলে গেছেন যে জানার শুরু নিজে থেকে কর ।



একজন মহাত্মার দরজাই কেও আওয়াজ করল মহাত্মা জিজ্ঞাসা করল -কে?
সে নিজের নাম বলল।
মহাত্মা বলল কেন এসেছ ?
সে বলল নিজেকে জানতে এসেছি।
মহাত্মা বলল তুমিতো জ্ঞানী তোমার জ্ঞানের প্রয়োজন নেই ।


এই রকম বহু লোকের সাথেই হয়েছে ,এইভাবে লোকদের মনেও মহাত্মার প্রতি সম্মান কমতে লাগলো । আবার একদিন এক ব্যক্তি মহাত্মার দরজা খটখটাল , মহাত্মা জিজ্ঞাসা করল - কে?
উত্তর এল এটাইতো জানতে এসেছি যে কে আমি?মহাত্মা বলল চলে এস তোমার জ্ঞানের প্রয়োজন আছে বাকি তো সব জ্ঞানী ছিল।



তো নিজেকে জানার খুব প্রয়োজন, যে নিজেকে জানেনা সে কাওকে জানার দাবি করতে পারেনা। প্রশ্ন এইটা যে নিজেকে জানব কিভাবে?


প্রশ্নটা কঠিন কিন্তু অতটা কঠিন নাই যতটা আমারা ভাবি । জীবনে এমনও সময় মাঝে মাঝে আসে যখন আমরা নিজেকে খুব বিপদের মধ্যে পাই সেই সময় সমাধান তো কি দুর-দুর পর্যন্ত শান্তি ও দেখতে পাইনা, এইটাই হচ্ছে সেই সময় নিজেকে জানার জন্য ।


মানুষের প্রতিটি ক্ষণ হচ্ছে পরিক্ষার ঘরি । বিপদ মানুষের ভিতরের শক্তি কে চেনার জন্যই আসে, বিপদের সেই মুহুর্ত গুলোকে মনে করুন আর ভাবুন যে কিভাবে সেই বিপদের সামনা করেছিলেন, এক একটি মুহুর্ত ভারি পরছিল কিন্তু তার সত্ত্বেও আপনি সামলে নিয়ে ছিলেন ।আজ ঐ মুহুর্ত গুলোকে যদি মনে করেন হইত শিহরে উঠবেন কিন্তু সেই সময় তো আপনি একজন কুশল যোদ্ধা ছিলেন এবং যুদ্ধ জিতেই তবে বেরিয়েছিলেন।



বাস্তবে বিপদ একটা বাঘের মত হয়, যার লেজে সমাধান ঝুলে থাকে, কিন্তু আমরা বাঘের হুঙ্কার শুনেই এত আতংকিত হয়ে যাই যে সমাধানের দিকে আমাদের ধ্যান ই যাইনা । যদি আমরা এটা ভাবি যে আমরা বেঁচে আছি তো এর পিছনে কিছু না কিছু কারণ আছে, যদি বাঘ আমাদের জ্যান্ত ছেড়ে দেয় তাহলে নিশ্চয়ই আমাদের জীবনের অন্য কোন উদ্দেশ্য আছে। ঐ সময় যদি আমরা শান্তির সাথে ঐ পরিস্থিতি কে জানার চেষ্টা করি তাহলে আমরা বুঝতে পারব যে ঐ সময় আমরা কতটা সাহসের সাথে মুকাবিলা করেছি , আর এখান থেকেই আমাদের প্রাপ্ত হয় আত্মবল আর শুরু হয় নিজেকে জানার সিলসিলা।



আমরা মনে করি ঐ সময়ের সাহস কে , কেমন বুদ্ধিমানের পরিচয় দিয়েছিলাম আমরা । আজকেও যদি বিপদ আমাদের সামনে আসে তো জেনে নিন কোন পরিক্ষার জন্য তৈরী করতে এসেছে। আর আমাদের ঐ পরিক্ষায় বসতে হবে মানে নিজের শক্তি কে চিনে আগে এগিয়ে যেতে হবে, এইভাবেই জীবন এগোতে থাকে।



এই কথাটা সবসময়ই মনে রাখবেন যে পরিক্ষায় যে বেশি নাম্বার পাবে তাকে আরও পরিক্ষার জন্য তৈরী থাকতে হবে । যে ফেল হয়ে যাবে তার আবার কিসের পরিক্ষা । মনে রাখবেন মেহনতের শেষ সফলতা নাই, সফলতার পরেও মেহনতের জন্য তৈরী থাকতে হবে....



ALL THE BEST 👍



                    ----------------------------------

Related Posts

: