সত্যসন্ধানী বনাম হুজুর

Post a Comment
সত্যসন্ধানী বনাম হুজুর

লিখেছেনঃ এম ডি আলী

মাহিনঃ কেমন আছেন হুজুর ? কল দিলে ফোন রিসিভ করেন না কেন?

হুজুরঃ আলহামদুলিল্লাহ ভাল আছি । ইচ্ছা করেই তোমার কল রিসিভ করি না ।

মাহিনঃ আজকে তো সামনাসামনি । অনেক প্রশ্ন এই বুকে জবাব তো পাইনি এ ধারায় !

হুজুরঃ যেহেতু আমি বাংলাদেশে ও তুমি জার্মানিতে তাই ফোনে কথা বলে আসলে তেমন উপকার পাবে বলে আমি মনে করিনি আর যেহেতু আমি দাওয়াত ও তবলীগের উসিলায় জার্মানিতে এসেছি আমি এখানে ৪০ দিন থাকব ইনশা আল্লাহ্‌ । তাই প্রিয় ভাই তুমার মনে বা বুকে যাই বল না কেন এখন প্রশ্ন করতে পারো । আমি চেষ্টা করবো ইনশা আল্লাহ্‌ তোমার প্রশ্নের উত্তর দিতে ।

মাহিনঃ স্রস্টা কেন অদৃশ্য, দৃশ্যমান হলে সমস্যা কি ?

হুজুরঃ (মুচকি হাঁসি দিয়ে) আসলে ভাই এই গুলো হল পুরাতন প্রশ্ন । আমি তো নতুন ধাচের প্রশ্নের আশায় ছিলাম  । আসলে তুমি যদি আমাদের লেখা গুলো পড়তে তাহলে এসবের প্রশ্ন আগেই জেনে যেতে ।

মাহিনঃ হেহেহেহে উত্তর জানা থাকলে দেন কথা ঘুরান কেন  হুজুর ।

হুজুরঃ এই দুনিয়াতা পরিক্ষার হল । কে ভাল কাজ করে আর কে মন্দ কাজ এটার জন্যই আল্লাহ্‌ অদৃশ্য । যদি স্রস্টালে দেখাই যায় তাহলে তো আর পরীক্ষার মূল্য নাই । যেমনি ভাবে যদি প্রশ্নের উত্তর পরীক্ষার হলে খাতায় উত্তর দৃশ্যমান থাকে তাহলে তো তাকে তো আর পরীক্ষার বলা যায় না । তাই আল্লাহ্‌ হলেন উত্তর অর্থাৎ এই উত্তর যদি কেউ যদি পরিপূর্ণ পালন করে তবেই দুনিয়া আর আখিরাতে শান্তিতে থাকতে পারবে ।

মাহিনঃ কি মিয়া ত্যানা পেচাইলেন । যুক্তিযুক্ত মনে হল না আমার কাছে । আল্লাহ্‌ আবার উত্তর কিভাবে হয় ? যেখানে কুরআন ও হাদিসে সব বলা হয়েছে মুসলিমরা কিভাবে কি কি করবে না করবে সেখানে আপনি আল্লাহকে কেন উত্তর বললেন ?

হুজুরঃ দেখো তুমি আসলে আমার পয়েন্ট বুঝতে পারো নি , আসলে আমি আল্লাহ্‌ যে দুনিয়াটা পরীক্ষার হল হিসেবে সৃষ্টি করেছেন এখন যদি আল্লাহকে সবাই দেখেই ফেলে ভাল মন্দ বলে কিছুই থাকবে না তাই না ! এই ক্ষেত্রে আমি উত্তর বা মুল হিসেবে আল্লাহকে বলেছি । আর তুমি নিজেই আসলে নিজের যুক্তি হয়ত ধরতে পারো নাই কারন কুরানের কথা তুমি বলছ আর কুরানেই তো আছে এই দুনিয়া পরীক্ষার হল । এখন আমাকে বলতো কোন শিশু যদি তোমাকে প্রশ্ন করে ভাইয়া মন ও আত্মা অথবা শক্তি এইগুলো কেন অদৃশ্য হল, দৃশ্যমান হল না কেন ?? আর বিজ্ঞান যদি বাস্তববাদ হয় তাহলে তুমি আমাকে বল উক্ত শিশুর প্রশ্নের উত্তর তুমি বিজ্ঞান দিয়ে কিভাবে দৃশ্যমান করবে ?

মাহিনঃ আচ্ছা হুজুর আপনাদের নবী নিজপুত্রের বউকে বিয়ে করেছিল এটা তো অমানবিক ?

হুজুরঃ মুচকি হাঁসি দিয়ে...... ঐ শিশুর প্রশ্নের উত্তর দেও । যারা এই লেখাটি পড়বে তারা তো তোমার প্রতি হাসবে ।

মাহিনঃ হাসুক আপনি আমার প্রশ্নের উত্তর দেন ।

হুজুরঃ রক্তের পুত্র আর পালক পুত্র  এক না । জায়েদ (রা) ছিলেন নবী (সা) এর পালক পুত্র, রক্তের পুত্র ছিলেন না । আর বিজ্ঞান আমাদের বলে DNA যদি বাপের সাথে ম্যাচ না করে তাহলে উক্ত সন্তান নিজের পিতার পরিচয় দিতে পারে না অথবা পিতার আসল সন্তান ঐ সন্তান না । এখন তুমি আমাকে বল জায়েদ (রা) কিভাবে নবী মুহাম্মদ (সা) আপন রক্তের সন্তান হয় ?

মাহিনঃ আচ্ছা হুজুর আমি যাই আপনার সাথে পরে আবার কথা বলব ।

হুজুরঃ আমি ৪০ দিন আছি এই মসজিদে । তোমার যখন মন চায় এসো ।

(১০ দিন পরে উক্ত সংশয়বাদী ছেলের আগমন)

মাহিনঃ হুজুর , কেমন আছেন, এখন কি আপনি ফ্রি আছেন ?

হুজুরঃ তোমার চিন্তাই থাকিরে ভাই । জী ফ্রি আছি বল । তোমার জন্য আমি সর্বদা অবসর যেমনি ভাবে রোগীর জন্য ডাক্তার ।

মাহিনঃ আমাকে রোগী বললেন ?

হুজুরঃ দুঃখ পেলে আমাকে মাফ করে দিও বাবা । আসলে আমি রূপক অর্থে কথাটি বলেছি । এখন বল কি বলবে , তুমি এই ১০ দিন কার ব্লগ পড়ে এসে এখন কি কি প্রশ্ন করবে বল শুনি তোমার প্রশ্ন ।

মাহিনঃ সব কিছু যদি সৃষ্টিকর্তা সৃষ্টি করেছে থাকেন তাহলে তাকে কে সৃষ্টি করেছে ?

হুজুরঃ আমি বুঝতে পেরেছি কার থেকে কপি করেছ এই লেইম প্রশ্ন । উদাহরণ স্বরূপ ধরো তুমি একটি রুমাল তৈরি করলে এখন আমি যদি প্রশ্ন করি এই রুমাল তৈরির করার আগে এই রুমাল তুমি কিভাবে বানালে ? তখন !

মাহিনঃ বুঝলান না হুজুর ।

হুজুরঃ অর্থাৎ রুমাল তৈরি আগে তুমি তো রুমাল তৈরিই করোনি তাহলে আমি যদি প্রশ্ন করি রুমাল কে তৈরি করেছে এই প্রশ্নটি আসলে অবান্তর । একই যুক্তিতে আল্লাহ্‌ ছাড়া সমস্ত কিছু সৃষ্টিই হয়নি তাই যদি এখন প্রশ্ন আসে আল্লাহকে কে সৃষ্টি করেছে এই প্রশ্ন একই ভাবে ভুল প্রশ্ন । বাবার বয়স ৩০ হলে ছেলের বয়স ৪০ কিভাবে ? এই প্রশ্ন যেমন ভুল , যদিও প্রশ্ন ! একই ভাবে আল্লাহ্‌ হলেন তিনি যার শুরু এবং শেষ নাই তাই আল্লাহকে কে সৃষ্টি করেছে এই প্রশ্নটি ভুল । আশা করি তুমি একমত ।

মাহিনঃ কিছুটা একমত ।

হুজুরঃ ধরো তুমি একটি কাগজে সূর্যের ছবি আঁকলে । তোমাকে যদি প্রশ্ন করা হয় তোমাকে কে এঁকেছে ? তুমি কি উত্তর দিবে ।

মাহিনঃ আমাকে যদি কেউ আঁকত তাহলে আমি তো ছবি হয়ে যেতাম আমি মানুষ হতাম না ।

হুজুরঃ একইভাবে সৃষ্টিকর্তা আল্লাহকে যদি কেউ সৃষ্টি করত তাহলে তিনি আর সৃষ্টিকর্তা হতেন না তিনিও সৃষ্টি হয়ে যেতেন । মানে স্রস্টা হলেন তিনি যিনি সৃষ্ট নন ।

মাহিনঃ আচ্ছা হুজুর আপনারা তো বলেন আল্লাহ্‌ সর্বশক্তিমান ।
হুজুরঃ হুম ।

মাহিনঃ যদি আল্লাহ্‌ সর্বশক্তিমান হয় তাহলে তিনি কি এমন কিছু বানাতে বানাতে পারবেন যেটা তিনি উঠাতে পারবে না বা ধ্বংস করত্যে পারবে না ? yes or No তে জবাব দিতে হবে ।

হুজুরঃ এই প্রশ্নের উত্তর হ্যাঁ অথবা না তে ডাইরেক্ট দেয়া সম্ভব না । যেমন আমি যদি তোমাকে প্রশ্ন করি তোমার নাম কি ? হ্যাঁ অথবা না তে উত্তর দেউ । তুমি কিন্তু এই প্রশ্নের জবাব সরাসরি দিতে পারবে না । আসলে আল্লাহ্‌ হলেন অসীম তাই তাঁর উপরে কেউ হবেন অথবা কোন বস্তু সৃষ্টি হবে এটা পরিবল না ।

মাহিনঃ তাহলে আল্লাহ্‌ সর্বশক্তিমান হলেন না । তাঁর উপরে যদি সে নিজেই কিছু মেইক করতে না পারেন তাহলে সে কিভাবে সর্বশক্তিমান হলেন ?

হুজুরঃ আসলে বিষয়টি এরকম না । মজার ব্যাপার হল আল্লাহ্‌ কেন এরকম কিছু সৃষ্টি করবেন যে তাঁর থেকে অসীম হবে ?

মাহিনঃ এর উত্তর তো আল্লাহ্‌ই দিতে পারবেন ।

হুজুরঃ তোমার আগের প্রশ্নের উত্তর মৃত্যুর পরে তাঁর থেকেই জেনে নিও কেমন । আমি এখন বিষয়টি তোমাকে বুঝাতে চেষ্টা করি । তুমি কি লিখতে পারো ?

মাহিনঃ হ্যাঁ ।

হুজুরঃ লেখাটি মুছতে অথবা ধ্বংস করতে পারবে ?

মাহিনঃ হ্যাঁ ।

হুজুরঃ খেয়াল করো আমার কথা, একটি লেখা তুমি লিখতে পারো আবার মুছতে পারো এখন কেউ যদি তোমাকে প্রশ্ন করে যে তুমি কি লিখতে পারলে মুছতে পারবে না ? এই প্রশ্ন কিন্তু অযৌক্তিক । কারন তুমি লিখতে পারো আবার মুছতেও পারো । একই ভাবে আল্লাহ্‌ সব কিছু বানাতে পারবেন আবার ধ্বংসও করতে পারবেন । কিন্তু বানাতে পারলে ধ্বংস করতে পারবেন না এটা ভুল কথা ।

মাহিনঃ আসলেও তো তাই । এইভাবে আগে কখনো চিন্তা করি নাই হুজুর ।

হুজুরঃ আমার পা ধরে গিয়েছে । আসো মসজিদে এসো ।

মাহিনঃ আসুন ।

হুজুরঃ লেবুর শরবত খাউ ।

মাহিনঃ হ্যাঁ দিন ।

হুজুরঃ দেখো আসলে কিছু কিছু নাস্তিক আছেন যারা জেনে বুঝেই ইসলামের বিরোধিতা করে , ইসলাম সত্য এটি জানে এরপরেও তারা বিদ্বেষ ছড়ায় । কিন্তু যদি সত্য খুজে আল্লাহ্‌ তাদেরকে সত্য গ্রহন করিয়ে দেন । নাস্তিকরা কোন সময়ে সব থেকে বেশি হতাশায় ভুগে জানো ?

মাহিনঃ কোন সময়ে ?

হুজুরঃ জীবনের শেষ দিকে । কারন তাদের শারীরিক অবস্থা খুবই নাজুক আছে এরপরে আবার মানুষিক ভাবে ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায় স্রস্টার প্রতি ভালবাসা না থাকার ফলে ।

মাহিনঃ পরে আরেকদিন কথা হবে এখন আমি আসি ।

(৩৫ দিন পরে আবার)

হুজুরঃ আমিত আর ৫ দিন আছি এখানে এরপরে আবার দেশে চলে যাব । তোমার সাথে হয়ত আর দেখা হবে না । ভাই আমার , তুমি যদি মাইন্ড না করো তাহলে আজ দুপুরে আমাদের সাথে খাবার খাবে বল তুমি খাবে তো !

মাহিনঃ জী হুজুর । আমি কথা দিলাম ।

হুজুরঃ আজকে কি নিয়ে আলোচনা করবে ।

মাহিনঃ সে দিন রাত এক নাস্তিকের ভিডিও দেখলাম সে বড় গলায় চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে যে নবীজি (সা) নাকি ধর্ষক ছিলেন । এই দাবী নাকি কেউই খণ্ডন করতে পারবে না ।

হুজুরঃ তার সাথে দেখা হলে আমি তাকে জিজ্ঞাসা করতাম আপনি আমাকে এমন একটি সহিহ হাদিস দেখান যেখানে তার স্ত্রী অথবা বাদীপত্নী বলেছে যে মুহাম্মদ তাদের ধর্ষণ করেছেন । আমার এই প্রশ্নের উত্তর কেউই এখন পর্যন্ত দিতে পারে নাই আর না কিয়ামত পর্যন্ত পারবে । কারন নাস্তিক অন্ধ বিশ্বাসীরা খুব ভাল করেই জানে তারা নিজেরা নবী মুহাম্মদ (সা) সম্পর্কে মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছেন ।

মাহিনঃ হুজুর, মুসলিমরা কুরআন হাদিস পড়ে এসব তাদের নিজেদের তাই তারা এর পক্ষেই বলবে । আপনি কি অন্য সোর্স থেকে মুহাম্মদ (সা) এর চরিত্র পড়েছেন ?

হুজুরঃ তোমার সব থেকে কাছের বন্ধু তোমার পিতা । তুমি নিজে জানো যে তুমার পিতা একজন ভাল মানুষ । সে কখনো মিথ্যা বলে না , সে মানুষকে ধোঁকা দেয় না , সে সমাজের মানুষের সেবা করে । এখন তার কিছু শত্রু আছে যারা তোমার বাবাকে দেখতে পারে না এবং বানিয়ে বানিয়ে মিথ্যা কথা বলে । এখন একদিন অপরিচিত একজন লোক যদি তোমাকে বলে যে তুমার বাবা কেমন তাহলে তুমি কি ঐ লোককে বলবে যে আপনি অন্য সোর্স তথা আমার বাবার শত্রুদের থেকে আমার বাবার পরিচয় নেন ?

মাহিনঃ আমি কখনোই এই কাজ করব না এমনকি কোন সন্তান এমন কাজ হয়ত করবে না ।

হুজুরঃ যেখানে আমরা বিশুদ্ধ হাদিস থেকে জানতে পারছি যে নবী মুহাম্মদ (সা) তাঁর সমাজের অনেক উপকার করেছেন । তিনি মানুষের সেবা করেছেন । তিনি সব সময় সত্য কথা বলতেন । এখন তাঁর এই গুণগান দেখে যে কোন মানুষই হিংসা করবে এটি স্বাভাবিক তাই তাঁর সাথে শত্রুতা করবে এটাও স্বাভাবিক । কিন্তু আমরা তাঁর শত্রু থেকে কেন তাঁর সম্পর্কে জানতে যাব ? কখনোই আমরা এ ভুল করব না । নবী (সা) এর কাছের মানুষ তথা তাঁর সাহাবী তাঁর স্ত্রী তাঁর আপনজনদের থেকেই আমরা তাঁর বিষয় জানব তাহলেই আমরা সঠিক কথা জানতে পারব ।

মাহিনঃ তারমানে আপনি বলতে চাচ্ছেন ধর্ষণ সে করে নাই ?

হুজুরঃ জবরদস্তী করে সহবাস করেছেন এমন প্রমান কেউই দেখাতে পারবে না । সুতরাং নাস্তিকদের প্রমান ভুল ।

মাহিনঃ আচ্ছা হুজুর আপনি কখন চলে যাবেন  । ফজর নামাজের পরে ৩০ মিনিত বয়ান হয় এরপরে সকালের নাস্তা খেয়ে আমরা আমাদের দেশে রওনা দিব । ইনশা আল্লাহ্‌ ।

মাহিনঃ ইসলাম বিষয় আমার কিছু সন্দেহ ছিল এখন আমি ফ্রেস আপনার সাথে মন খুলে কথা বলে । ইসলাম সম্পর্কে আমরা যারা কম বুঝি তারা যদি ইসলাম বিদ্বেষীদের লেখা পড়ি তাহলে উত্তর গুলি না জানার ফলে মনে প্রশ্ন আসে । আপনার সাথে কথা বলে আমি বুঝলাম যে আসলে ইসলাম বিদ্বেষীরা আসলে সত্য জানার জন্য নয় তারা হিংসা করেই না বুঝেই ইসলাম নিয়ে মিথ্যাচার করে বেড়ায় ।

হুজুরঃ এর জন্য আসলে আমাদের লেখা গুলি পড়া উচিৎ বেশি বেশি তাহলে ইসলাম সম্পর্কে স্বচ্ছ জবাব পাওয়া যাবে ।

মাহিনঃ হুজুর আমি আবার ইসলামে ফিরে আসতে চাই । আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ্‌ ছাড়া কোন উপাস্য নাই। তিনি এক, অদ্বিতীয় এবং আরও সাক্ষ্য দিতেছি যে, মুহাম্মাদ (সাঃ) তাঁহার বান্দা ও প্রেরিত রাসুল। কালেমা শাহাদাত পাঠ করার পরে মাহিন বলল হুজুর আমি যদি আগে আপনার সাথে কথা বলতে পারতাম । তাহলে হয়ত ইসলাম সম্পর্কে আরও আগে জানতে পারতাম ।

হুজুরঃ ওকে আল্লাহ্‌ তোমাকে মাফ করে দিক আমিন । আমার জন্য দুয়া করে দিও নামাজে প্লিজ ভাই ।

মাহিনঃ আরে হুজুর আমি আর কি দুয়া করব আপনিই আমার জন্য বেশি বেশি দুয়া করবেন ।



Related Posts

: